📌 গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে বিভিন্ন যুদ্ধ বিশ্বরাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন করেছে। BCS ও Bank পরীক্ষায় এ বিষয়গুলো বারবার আসে।
| যুদ্ধ | সময়কাল | বিবরণ |
|---|---|---|
| ১ম বিশ্বযুদ্ধ | ১৯১৪-১৯১৮ | মিত্রশক্তি vs কেন্দ্রীয় শক্তি; ভার্সাই চুক্তি; তাৎক্ষণিক কারণ — আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ডের হত্যাকাণ্ড |
| ২য় বিশ্বযুদ্ধ | ১৯৩৯-১৯৪৫ | মিত্রশক্তি vs অক্ষশক্তি (জার্মানি, ইতালি, জাপান); হিরোশিমা (৬ আগস্ট ১৯৪৫) ও নাগাসাকি (৯ আগস্ট ১৯৪৫) |
| স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) | ১৯৪৭-১৯৯১ | USA vs USSR; পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা; বার্লিন দেয়াল পতন (১৯৮৯); সোভিয়েত পতন (১৯৯১) |
| কোরিয়া যুদ্ধ | ১৯৫০-১৯৫৩ | উত্তর কোরিয়া vs দক্ষিণ কোরিয়া; ৩৮° সমান্তরাল রেখা বিভাজন |
| ভিয়েতনাম যুদ্ধ | ১৯৫৫-১৯৭৫ | উত্তর ভিয়েতনাম vs দক্ষিণ ভিয়েতনাম ও USA; ১৯৭৫ সালে সাইগনের পতন |
| আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ | ১৯৪৮, ১৯৬৭, ১৯৭৩ | ফিলিস্তিন সমস্যা; ছয় দিনের যুদ্ধ (১৯৬৭); ইয়ম কিপুর যুদ্ধ (১৯৭৩) |
| ফকল্যান্ড যুদ্ধ | ১৯৮২ | আর্জেন্টিনা vs যুক্তরাজ্য; ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে |
| ইরান-ইরাক যুদ্ধ | ১৯৮০-১৯৮৮ | সাদ্দাম হুসেইন vs ইরান; দীর্ঘ ৮ বছরব্যাপী |
| উপসাগরীয় যুদ্ধ | ১৯৯০-১৯৯১ | ইরাকের কুয়েত দখল; জাতিসংঘ বাহিনী; "অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম" |
| রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত | ২০২২-বর্তমান | ক্রিমিয়া সংকট (২০১৪); পূর্ণ মাত্রায় আক্রমণ (২০২২) |
২য় বিশ্বযুদ্ধের অক্ষশক্তি: "জিআইজে" — জার্মানি, ইতালি, জাপান
মিত্রশক্তি: "বিফ্রাসো" — বিলাত (যুক্তরাজ্য), ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, USA, চীন
- ১ম বিশ্বযুদ্ধ: ২৮ জুলাই ১৯১৪ শুরু; ১১ নভেম্বর ১৯১৮ শেষ; মৃত — প্রায় ২ কোটি
- ২য় বিশ্বযুদ্ধ: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ শুরু; ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ শেষ; মৃত — প্রায় ৬-৮.৫ কোটি
- ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত: লীগ অব নেশনস (১৯২০)
- ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত: জাতিসংঘ (১৯৪৫)
📌 গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও ঘোষণা
আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ঘোষণা বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতার ভিত্তি। নিচে পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসা চুক্তিগুলো দেওয়া হলো:
| চুক্তি/ঘোষণা | সাল | বিষয়বস্তু |
|---|---|---|
| ম্যাগনা কার্টা | ১২১৫ | ব্রিটেনে রাজার ক্ষমতা সীমিতকরণ; "স্বাধীনতার মহাসনদ" |
| ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি | ১৬৪৮ | আধুনিক জাতিরাষ্ট্র ব্যবস্থার সূচনা; সার্বভৌমত্বের ধারণা |
| ভার্সাই চুক্তি | ১৯১৯ | ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি চুক্তি; জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত; লীগ অব নেশনস গঠন |
| আটলান্টিক চার্টার | ১৯৪১ | রুজভেল্ট ও চার্চিল কর্তৃক; যুদ্ধোত্তর বিশ্বের রূপরেখা |
| জাতিসংঘ সনদ | ১৯৪৫ | সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে স্বাক্ষরিত; ২৪ অক্টোবর কার্যকর (জাতিসংঘ দিবস) |
| মানবাধিকার ঘোষণা | ১৯৪৮ | জাতিসংঘ কর্তৃক ৩০টি অনুচ্ছেদ; ১০ ডিসেম্বর (মানবাধিকার দিবস) |
| জেনেভা কনভেনশন | ১৯৪৯ | যুদ্ধবন্দী ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা; ৪টি কনভেনশন |
| NPT | ১৯৬৮ | পারমাণবিক অস্ত্র অপ্রসার চুক্তি; ৫টি পারমাণবিক রাষ্ট্র স্বীকৃত |
| ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি | ১৯৭৮ | মিশর-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি; মধ্যস্থতা — USA (কার্টার) |
| অসলো চুক্তি | ১৯৯৩ | ইসরায়েল-PLO পারস্পরিক স্বীকৃতি; ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন |
| কিয়োটো প্রোটোকল | ১৯৯৭ | গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস; কার্যকর ২০০৫ |
| প্যারিস চুক্তি | ২০১৫ | জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা; ১.৫°C তাপমাত্রা বৃদ্ধি সীমিত রাখা |
- যুক্তরাষ্ট্র (১৯৪৫) — প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা (ট্রিনিটি টেস্ট)
- রাশিয়া (১৯৪৯) — সোভিয়েত ইউনিয়ন আমলে
- যুক্তরাজ্য (১৯৫২)
- ফ্রান্স (১৯৬০)
- চীন (১৯৬৪)
- NPT-বহির্ভূত: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া (ইসরায়েল — অঘোষিত)
📌 কূটনীতি ও গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তাত্ত্বিক ভিত্তি ও কূটনৈতিক পরিভাষা BCS পরীক্ষায় বারবার আসে।
| মতবাদ/নীতি | প্রবক্তা/সাল | বিষয়বস্তু |
|---|---|---|
| মনরো মতবাদ | জেমস মনরো (১৮২৩) | ইউরোপীয় শক্তি আমেরিকা মহাদেশে হস্তক্ষেপ করবে না |
| ট্রুম্যান মতবাদ | হ্যারি ট্রুম্যান (১৯৪৭) | সাম্যবাদ ঠেকাতে মুক্ত দেশগুলোকে সহায়তা; স্নায়ুযুদ্ধের ভিত্তি |
| মার্শাল পরিকল্পনা | জর্জ মার্শাল (১৯৪৮) | যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপ পুনর্গঠনে মার্কিন আর্থিক সহায়তা |
| জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) | ১৯৬১ | নেহরু, তিতো, নাসের; প্রথম সম্মেলন — বেলগ্রেড |
| পিং পং কূটনীতি | ১৯৭১ | USA-চীন সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ; টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের মাধ্যমে |
| গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা | মিখাইল গর্বাচেভ (১৯৮৬) | সোভিয়েত ইউনিয়নে উন্মুক্ততা ও পুনর্গঠন নীতি |
"নেতিনা" — নেহরু (ভারত), তিতো (যুগোস্লাভিয়া), নাসের (মিশর)। এছাড়া সুকর্ণ (ইন্দোনেশিয়া) ও নক্রুমা (ঘানা) অন্যতম উদ্যোক্তা।
📌 বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বিভিন্ন দেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ: ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- দ্বিতীয় স্বীকৃতিদানকারী: ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- প্রথম আরব দেশ: ইরাক (১৯৭২); সর্বশেষ — সৌদি আরব (১৯৭৫), চীন (১৯৭৫)
- জাতিসংঘ সদস্যপদ: ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ (১৩৬তম সদস্য)
- পররাষ্ট্রনীতি: "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" (সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ)
- ছিটমহল বিনিময়: ৩১ জুলাই ২০১৫ (ভারত-বাংলাদেশ); ১৬২টি ছিটমহল বিনিময়
🔹 বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| গঙ্গা পানি চুক্তি | ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬; ৩০ বছর মেয়াদ; ফারাক্কা বাঁধ সংশ্লিষ্ট |
| তিস্তা পানি চুক্তি | এখনো স্বাক্ষরিত হয়নি; বাংলাদেশের দাবি — ন্যায্য হিস্যা |
| স্থলসীমান্ত চুক্তি (LBA) | ৬ জুন ২০১৫ কার্যকর; ছিটমহল বিনিময় |
| সমুদ্রসীমা রায় | ৭ জুলাই ২০১৪; PCA-তে বাংলাদেশের পক্ষে; বঙ্গোপসাগরে ১৯,৪৬৭ বর্গকিমি |
🔹 বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক
- সমুদ্রসীমা রায়: ১৪ মার্চ ২০১২; ITLOS-এ প্রথমবারের মতো সমুদ্রসীমা নির্ধারণ
- রোহিঙ্গা সংকট: ২০১৭ সালে ব্যাপক দমন-পীড়ন; ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয়
- বাংলাদেশ ICJ-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলায় (গাম্বিয়া vs মিয়ানমার) সমর্থন দেয়
📌 আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংগঠন
বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন ও তাদের মূল তথ্য পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
| সংগঠন | প্রতিষ্ঠা | সদর দপ্তর | সদস্য |
|---|---|---|---|
| জাতিসংঘ (UN) | ১৯৪৫ | নিউ ইয়র্ক | ১৯৩ |
| SAARC | ১৯৮৫ | কাঠমান্ডু | ৮ |
| BIMSTEC | ১৯৯৭ | ঢাকা | ৭ |
| EU (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) | ১৯৯৩ | ব্রাসেলস | ২৭ |
| NATO | ১৯৪৯ | ব্রাসেলস | ৩২ |
| ASEAN | ১৯৬৭ | জাকার্তা | ১০ |
| AU (আফ্রিকান ইউনিয়ন) | ২০০১ | আদ্দিস আবাবা | ৫৫ |
| OIC | ১৯৬৯ | জেদ্দা | ৫৭ |
| D-8 | ১৯৯৭ | ইস্তাম্বুল | ৮ |
| BRICS | ২০০৯ | আবর্তনশীল | ১০+ |
- সাধারণ পরিষদ — সকল সদস্য রাষ্ট্র (১৯৩); বার্ষিক অধিবেশন
- নিরাপত্তা পরিষদ — ৫ স্থায়ী + ১০ অস্থায়ী; ভেটো ক্ষমতা
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) — ৫৪ সদস্য
- আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) — দ্য হেগ; ১৫ জন বিচারপতি
- সচিবালয় — মহাসচিব নেতৃত্বে
- অছি পরিষদ — বর্তমানে কার্যত নিষ্ক্রিয় (১৯৯৪ থেকে)
"চিফ্রুয়া" — চিন, ফ্রান্স, রুশিয়া (রাশিয়া), যুক্তরাজ্য, আমেরিকা। এই ৫টি দেশের ভেটো ক্ষমতা আছে — যেকোনো প্রস্তাব বাতিল করতে পারে।
📌 আন্তর্জাতিক আইন ও আদালত
আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি ও আইনের শাসন নিশ্চিতে বিভিন্ন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল কাজ করে।
| আদালত/সংস্থা | সদর দপ্তর | কাজ |
|---|---|---|
| ICJ (International Court of Justice) | দ্য হেগ | রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি; জাতিসংঘের প্রধান বিচার অঙ্গ; ১৫ জন বিচারপতি (৯ বছর মেয়াদ) |
| ICC (International Criminal Court) | দ্য হেগ | যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা; রোম সংবিধি (১৯৯৮) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত (২০০২) |
| ITLOS (Intl Tribunal for Law of the Sea) | হামবুর্গ | সমুদ্র আইন (UNCLOS) সংক্রান্ত বিরোধ; ২১ জন বিচারপতি |
| PCA (Permanent Court of Arbitration) | দ্য হেগ | আন্তর্জাতিক সালিশ; ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত |
| WTO বিরোধ নিষ্পত্তি সংস্থা | জেনেভা | বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি |
- ICJ: রাষ্ট্র বনাম রাষ্ট্র বিরোধ; জাতিসংঘের অঙ্গ; সকল সদস্য রাষ্ট্র পক্ষভুক্ত
- ICC: ব্যক্তি বিচার করে; স্বতন্ত্র সংস্থা; রোম সংবিধি অনুসমর্থনকারী দেশ পক্ষভুক্ত
- USA, রাশিয়া, চীন, ভারত — ICC-র সদস্য নয়
📌 গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ও শীর্ষ বৈঠক
| সম্মেলন | সাল | বিষয়বস্তু |
|---|---|---|
| বান্দুং সম্মেলন | ১৯৫৫ | ইন্দোনেশিয়া; এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন; NAM-এর ভিত্তি |
| স্টকহোম সম্মেলন | ১৯৭২ | পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন; ৫ জুন — বিশ্ব পরিবেশ দিবস |
| ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) | ১৯৯২ | রিও ডি জেনেইরো; Agenda 21; জীববৈচিত্র্য কনভেনশন |
| COP21 | ২০১৫ | প্যারিস; জলবায়ু চুক্তি; ১.৫°C লক্ষ্যমাত্রা |
| ইয়াল্টা সম্মেলন | ১৯৪৫ | রুজভেল্ট, চার্চিল, স্ট্যালিন; যুদ্ধোত্তর বিশ্ব বিন্যাস |
| পটসডাম সম্মেলন | ১৯৪৫ | ট্রুম্যান, চার্চিল/অ্যাটলি, স্ট্যালিন; জার্মানি বিভাজন |
📌 কূটনৈতিক পরিভাষা
পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক শব্দ ও ধারণা:
| পরিভাষা | অর্থ |
|---|---|
| Détente (ডেটঁত) | উত্তেজনা প্রশমন; স্নায়ুযুদ্ধকালীন USA-USSR সম্পর্ক উন্নয়ন |
| Veto (ভেটো) | নিরাপত্তা পরিষদের P5 সদস্যদের নিষেধাধিকার |
| Embargo (এমবার্গো) | নির্দিষ্ট দেশে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা |
| Apartheid (আপার্থেইড) | দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্য নীতি (১৯৪৮-১৯৯১) |
| Persona Non Grata | অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ঘোষণা (কূটনীতিবিদ বহিষ্কার) |
| Shuttle Diplomacy | মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে যাতায়াত করে আলোচনা |
| Bilateral / Multilateral | দ্বিপক্ষীয় / বহুপক্ষীয় সম্পর্ক বা চুক্তি |
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সৈন্য প্রেরণকারী দেশগুলোর অন্যতম। ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী প্রেরণ করছে। এ পর্যন্ত ৫৪টির বেশি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। উল্লেখযোগ্য মিশন: সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া, কঙ্গো, সুদান।
📌 পরীক্ষায় বারবার আসা বিবিধ তথ্য
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল; ২০১৭ থেকে)
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব: ট্রিগভে লাই (নরওয়ে)
- লীগ অব নেশনসের সদর দপ্তর: জেনেভা; প্রতিষ্ঠা ১৯২০
- বার্লিন দেয়াল নির্মাণ: ১৯৬১; পতন: ৯ নভেম্বর ১৯৮৯
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন: ২৬ ডিসেম্বর ১৯৯১
- ব্রেক্সিট: ৩১ জানুয়ারি ২০২০; যুক্তরাজ্য EU ত্যাগ
- আব্রাহাম চুক্তি: ২০২০; ইসরায়েল-UAE-বাহরাইন সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ
- AUKUS: ২০২১; অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাজ্য-USA নিরাপত্তা জোট
"বাভুনেপাই শ্রীমা" — বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া (ভারত), শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ + আফগানিস্তান (৮ম, ২০০৭)। প্রতিষ্ঠা: ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫, ঢাকা।