৫০তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারের শূন্য পদগুলো যুক্ত করার এবং নন-ক্যাডার পদসংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। একই সঙ্গে আগের বিসিএসে সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের আবার নিম্ন ক্যাডারে সুপারিশ বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
প্রার্থীরা বলছেন, আগের বিসিএসগুলোয় বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য থেকে গেছে। ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনবলসংকট তৈরি হচ্ছে এবং যোগ্য প্রার্থীরা চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এক নজরে
| সংস্থা | বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) |
|---|---|
| বিসিএস | ৫০তম |
| শিক্ষা ক্যাডারে পদ | ১৩৯টি |
| নন-ক্যাডার পদ | ৩৯৫টি |
| লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ | ৬,১৬৫ জন |
শিক্ষা ক্যাডারে শূন্য পদ
৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা ক্যাডারে সরকারি কলেজের জন্য মাত্র ১৩৯টি পদ রয়েছে। অথচ ৪৭তম বিসিএসে এই ক্যাডারে মোট পদ ছিল ৯২৯টি, যার মধ্যে ৭১৩টি পদ ফাঁকা থেকে যায়। এটি মোট পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ।
বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রসায়ন, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি পদ খালি রয়েছে। প্রার্থীদের মতে, এই শূন্য পদগুলো ৫০তম বিসিএসে যুক্ত না করলে সরকারি কলেজের শিক্ষকসংকট থেকেই যাবে।
নন-ক্যাডার পদ ও সুপারিশ পুনরাবৃত্তি
৫০তম বিসিএসে বিজ্ঞাপিত নন-ক্যাডার পদ রয়েছে মাত্র ৩৯৫টি, অথচ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ১৬৫ জন। প্রার্থীরা জানান, বিশেষ বিধিমালা অনুযায়ী সরকার চাইলে নন-ক্যাডার পদ বাড়াতে পারে। আগের ৪৪তম বিসিএসে ৪ হাজার ১৫৬টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
প্রার্থীরা আরও একটি সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন—পূর্ববর্তী বিসিএসে ভালো ক্যাডার পেয়েও অনেকে পরবর্তী বিসিএসে অংশ নিচ্ছেন এবং নিচের ক্যাডার বা নন-ক্যাডার পদে আবার সুপারিশ পাচ্ছেন। এতে অনেক পদ নষ্ট হয়। তাই ফলাফল প্রকাশের আগে সমন্বয় করে সম্পূরক ফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আবেদন করার আগে
- ৫০তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারের শূন্য পদ যুক্ত করার দাবি জানান।
- নন-ক্যাডার পদসংখ্যা বাড়ানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করুন।
- একই ব্যক্তির একাধিক সুপারিশ বন্ধে সম্পূরক ফল প্রকাশের দাবি জানান।
- পদ সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য পিএসসি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেখুন।
চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন?
সরকারি, ব্যাংক, বেসরকারি ও NGO নিয়োগের আপডেট JobFeeds-এ এক জায়গায় পাবেন।