বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকদের পদোন্নতি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিলতায় আটকে আছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ১৪৫ জন প্রদর্শককে প্রভাষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলে প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অন্যান্য টায়ারে দুবার পদোন্নতি হলেও প্রভাষকদের পদোন্নতি হয়েছে মাত্র একবার। ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সভা আহ্বান করা হলেও তা সত্ত্বেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
এক নজরে
| প্রতিষ্ঠান | শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ |
|---|---|
| পদ | প্রভাষক (বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার) |
| সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপন | ২০ জুলাই ২০২৬, ১৪৫ জন প্রদর্শককে প্রভাষক পদে পদোন্নতি |
| সভা আহ্বান | ২৩ জুলাই ২০২৬, বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি |
পদোন্নতি আটকে থাকার কারণ
প্রভাষকদের পদোন্নতি আটকে থাকার পেছনে শূন্য পদ, পদসংকট, প্রশাসনিক জটিলতা ও আর্থিক সংশ্লেষের প্রশ্নকে দায়ী করা হয়। তবে প্রকৃত কারণ কখনো স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।
শিক্ষা ক্যাডারের অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে আর্থিক সংশ্লেষ ছাড়াই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ফলে আর্থিক বোঝার যুক্তি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয় বলে মনে করেন অনেকে।
নতুন বিতর্ক
প্রদর্শকদের পদোন্নতি দিয়ে রীতি ভেঙে নতুনভাবে ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ঢাকাসহ মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পদায়ন দেওয়ায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এখন দেখার বিষয়, প্রভাষকদের পদোন্নতির জন্য গঠিত কমিটির সভার সিদ্ধান্ত কবে বাস্তবায়িত হয় এবং প্রকৃত বাধা কোথায়।
আবেদন করার আগে
- পদোন্নতির অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞপ্তি পর্যবেক্ষণ করুন।
- নিজের কাগজপত্র ও সেবা বই হালনাগাদ রাখুন।
- বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সিদ্ধান্তের পর গেজেট প্রকাশের তারিখ নজরে রাখুন।
- প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংগঠন বা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করুন।
চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন?
সরকারি, ব্যাংক, বেসরকারি ও NGO নিয়োগের আপডেট JobFeeds-এ এক জায়গায় পাবেন।