ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী একই হলের একই কক্ষে থেকে পড়াশোনা করতেন। ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে তাঁরা তিনজনই সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে তাঁদের গ্রুপ স্টাডি ও পারস্পরিক সহযোগিতা সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল। এর আগে ১৬তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে একজন জজ হয়েছিলেন, যা অন্যদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
এক নজরে
| সংস্থা | বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন |
|---|---|
| পরীক্ষা | ১৮তম বিজেএস ২০২৫ |
| সুপারিশপ্রাপ্ত | ২০০ জন |
| ফল প্রকাশ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
গ্রুপ স্টাডি থেকে জজ পদের সিঁড়ি
তিন বন্ধু নিয়মিত গ্রুপ স্টাডি করতেন এবং একে অপরকে সহযোগিতা করতেন। একজন শিক্ষক হয়ে হাজিরা নেওয়ার মতো অভ্যাসও তাঁদের ছিল। ১৬তম বিজেএসে প্রথম বন্ধু আরিফ হোসাইন সুপারিশপ্রাপ্ত হলে বাকি দুই বন্ধুর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
পরপর দুইবার ব্যর্থ হলেও মো. আনোয়ার হোসেন ও শাকির আলম হাল ছাড়েননি। তৃতীয় প্রচেষ্টায় ১৮তম বিজেএসে তাঁরা চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া
আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হালিমা খাতুন বলেন, বিভাগ প্রতিবছর জুডিশিয়ারিতে ভালো ফল করে। তিন রুমমেটের সাফল্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
আবেদন করার আগে
- গ্রুপ স্টাডি ও নিয়মিত আলোচনা জটিল বিষয় বুঝতে সাহায্য করে।
- ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়; ধৈর্য ধরে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে হবে।
- একই লক্ষ্য নিয়ে একসঙ্গে পড়লে প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতা তৈরি হয়।
- বড় ভাই-আপুদের সাফল্য থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া যেতে পারে।
চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন?
সরকারি, ব্যাংক, বেসরকারি ও NGO নিয়োগের আপডেট JobFeeds-এ এক জায়গায় পাবেন।