সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এখন শুধু স্নাতক পর্যায়ের পেশায় সীমাবদ্ধ নেই। আইপিইএমআইএসের সর্বশেষ তথ্য বলছে, এখানে মাস্টার্স, প্রকৌশল, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা ডিগ্রিধারীরাও শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এই প্রতিষ্ঠানটি ইউনিসেফ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত হয়। তাদের পরিসংখ্যানে শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পূর্ণ চিত্র উঠে এসেছে।

এক নজরে

তথ্যসূত্রআইপিইএমআইএস, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
মোট শিক্ষক৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৭০
মাস্টার্সধারী শিক্ষক১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪
এমফিল/পিএইচডিধারী৪২
নারী শিক্ষকের হার৬৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ

শিক্ষাগত যোগ্যতার বৈচিত্র্য

সরকারি প্রাথমিকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন। স্নাতক (পাস) পর্যায়ের শিক্ষক ৯৯ হাজার ৯৭৭ জন এবং এইচএসসি পাস শিক্ষক ৪২ হাজার ২৪২ জন।

প্রকৌশল ও কৃষি ব্যাকগ্রাউন্ডের মধ্যে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং করা শিক্ষক ১ হাজার ৬১৭ জন, বিএসসি ইন অ্যাগ্রিকালচার ২৫৮ জন এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার ৪৯ জন।

আইন বিষয়ে এলএলএম করা ৩৮৬ জন ও এলএলবি করা ৩১৬ জন শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়া এমফিল বা পিএইচডিধারী ৪২ জন এবং বিডিএস ডিগ্রিধারী ৪ জন শিক্ষক রয়েছেন।

বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক চিত্র

শিক্ষকদের মধ্যে ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সী সবচেয়ে বেশি, ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯৬ জন। ৪৬ থেকে ৫৫ বছর বয়সী ১ লাখ ৮ হাজার ৭৮২ জন এবং ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৮২ হাজার ৮৬০ জন।

মোট শিক্ষকের মধ্যে নারী ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন এবং পুরুষ ১ লাখ ২৩ হাজার ১৩৪ জন। অর্থাৎ নারী শিক্ষকের সংখ্যা পুরুষের প্রায় দ্বিগুণ।

আবেদন করার আগে

  • প্রাথমিকে আবেদনের আগে নিজের ডিগ্রি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে তা যাচাই করুন।
  • শিক্ষকতার পাশাপাশি বিএড বা এমএড কোর্স করলে পেশাগত অগ্রগতির সুযোগ বাড়ে।
  • উচ্চ ডিগ্রিধারীরা প্রাথমিকে যোগ দিলেও পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতার শর্ত আলাদা করে দেখুন।
  • নারী প্রার্থীদের জন্য এই খাতে প্রতিযোগিতা ও সুযোগ—দুটোই বড়।

চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন?

সরকারি, ব্যাংক, বেসরকারি ও NGO নিয়োগের আপডেট JobFeeds-এ এক জায়গায় পাবেন।