চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের একটি অংশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি পুনরায় যাচাই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীরা আটকে থাকা নিয়োগপত্র ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইস্যু করার আহ্বান জানান। দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনেক প্রার্থী আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এক নজরে

পদসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
চূড়ান্ত নির্বাচিত১৪,৩৮৪ জন
নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীপ্রায় ১,২০০ জন (প্রার্থীদের দাবি)
দাবির সময়সীমা২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রার্থীদের পাঁচ দফা দাবি

প্রার্থীরা পাঁচটি দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ভুল সংশোধন এবং চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত অথচ নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ।

এ ছাড়া নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং কীভাবে এত সংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়েছেন, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত না করার আহ্বান

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিয়মকারী বা অযোগ্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে তাঁরা অবস্থান নিচ্ছেন না। তবে প্রশাসনিক ভুল বা ভুল তথ্যের কারণে কোনো নিরপরাধ ও যোগ্য প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বর্তমানে দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক-সংকট চলছে।

আবেদন করার আগে

  • ভেরিফিকেশনে বাদ পড়লে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বা আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন করুন।
  • নিয়োগ সংক্রান্ত সব কাগজপত্র ও যোগাযোগের প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
  • নিয়োগপত্র ইস্যু সংক্রান্ত আপডেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল নোটিশ থেকে জেনে নিন।
  • প্রয়োজনে প্রার্থীদের সম্মিলিতভাবে দাবি জানানোর জন্য সংগঠিত হন।

চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন?

সরকারি, ব্যাংক, বেসরকারি ও NGO নিয়োগের আপডেট JobFeeds-এ এক জায়গায় পাবেন।