সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। আজ রোববারের কর্মসূচি শেষে তাঁরা আগামীকাল সোমবার আবারও কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রার্থীরা জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র প্রদান শুরু হলেও শত শত প্রার্থী বাদ পড়েছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
এক নজরে
| সংস্থা | প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় |
|---|---|
| পদ | সহকারী শিক্ষক |
| বাদ পড়া প্রার্থী | দুই হাজারের বেশি |
| নিয়োগপত্র শুরু | ২৪ সেপ্টেম্বর |
কর্মসূচির বিবরণ
আজ বেলা ১১টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়, এতে দুই শতাধিক প্রার্থী অংশ নেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। পরে একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগে যান তাঁরা।
বেলা দেড়টার দিকে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করেন। কিন্তু কারও সাক্ষাৎ না পেয়ে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তাঁরা শাহবাগে ফিরে আসেন।
দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র
কর্মসূচির মধ্যে দ্বিতীয় দফায় কয়েকটি জেলায় নতুন করে শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। জেলাগুলোর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে এই নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র পাওয়া জেলাগুলোর মধ্যে রাজশাহীতে ২২ জন, পাবনায় ৩৭, ঠাকুরগাঁওয়ে ২০, টাঙ্গাইলে ১ ও নড়াইলে ৯ জন রয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জাতীয় বেতন স্কেল–২০১৫ অনুযায়ী ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেতন স্কেলের (গ্রেড–১৩) আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আবেদন করার আগে
- নিয়োগপত্র না পেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করুন।
- অনলাইনে নিয়োগপত্রের আপডেট নিয়মিত দেখুন।
- শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাতে সম্মিলিতভাবে প্রতিনিধি দল পাঠান।
- নিজের সুপারিশের কপি ও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।
চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন?
সরকারি, ব্যাংক, বেসরকারি ও NGO নিয়োগের আপডেট JobFeeds-এ এক জায়গায় পাবেন।